
২০২৭ সালের হজের জন্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। নিবন্ধনের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) এ ঘোষণা দেন।
ঘোষিত প্যাকেজ অনুযায়ী, সরকারি হজ প্যাকেজ-১ এর খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা। এ প্যাকেজে মক্কায় হারাম শরিফ থেকে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪০০ মিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এলাকায় আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। মিনায় জোন-৭-এ তাঁবু ও সার্ভিস প্যাকেজ-৩ অনুযায়ী সেবা দেওয়া হবে।
সরকারি হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) এর খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। এতে মক্কায় হারাম শরিফ থেকে ২ থেকে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এলাকার বাইরে আবাসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মিনায় জোন-৫-এ তাঁবু ও সার্ভিস প্যাকেজ-৩ এর সুবিধা থাকবে।
অন্যদিকে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সাধারণ হজ প্যাকেজের খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৬৮ টাকা।
ধর্মমন্ত্রী জানান, ২০২৭ সালে মিনা-আরাফার সার্ভিস প্যাকেজ চারটি থেকে কমিয়ে তিনটি করা হয়েছে। 'ডি' সার্ভিস প্যাকেজ বাতিল করা হয়েছে এবং হাজিদের সেবার মান উন্নয়নে বোর্ড ক্যাটাগরি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, হজ ফ্লাইটের বিমান ভাড়া কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কম।
প্রবাসী বাংলাদেশিরাও এবার যে দেশে অবস্থান করছেন, সেখান থেকেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা, টিকা গ্রহণ এবং ভিসার আবেদন করতে পারবেন। ভবিষ্যতে অবস্থানরত দেশ থেকেই সরাসরি সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
হজযাত্রীদের প্রথমে ই-হজ সিস্টেমে প্যাকেজ নির্বাচন করে ৩০ হাজার টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে হবে। পরে বাকি অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন হবে।
এছাড়া হজে যেতে ইচ্ছুকদের পাসপোর্টের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত থাকতে হবে। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরু হবে এবং ১৫ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।